সরকারি খেজুর বিতরণ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চললেও জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ৫ দিন আগেই বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করেছিলেন জামায়াত সমর্থিত এমপি কামরুল হাসান মিলন।
তবে দুর্বল প্রচারণা ও যথাযথভাবে বিষয়টি সামনে না আসায় অধিকাংশ মানুষ সেই তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারেননি বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার পরপরই এমপি কামরুল হাসান মিলন তার পক্ষ থেকে হিসাব ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। কিন্তু বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার প্রচারণায় তেমনভাবে ছড়িয়ে না পড়ায় তা আলোচনার কেন্দ্রে আসেনি।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে খেজুর বিতরণ ও গায়েব হওয়ার অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে অনেকেই বলছেন— যদি শুরুতেই সেই হিসাব ও তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার পেত, তাহলে বিভ্রান্তি অনেকটাই কমে যেত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তথ্য সময়মতো জনগণের কাছে পৌঁছানো না গেলে নানা ধরনের গুজব ও বিতর্ক তৈরি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।